ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রকাশ্য বিরোধে জড়ানোর কয়েক সপ্তাহ পরই মাস্ক এই ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপোড়েন
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের অন্যতম বড় অর্থদাতা ছিলেন মাস্ক। তিনি তার নির্বাচনী প্রচারে আনুমানিক ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন। নির্বাচনের পর মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন একটি বিভাগ, ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডিওজিই) এর দায়িত্ব দেওয়া হয়, যার কাজ ছিল বাজেট খাতে অপচয় চিহ্নিত করা।
কিন্তু চলতি বছরের মে মাসে মাস্ক ট্রাম্প প্রশাসন থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ট্রাম্পের "বিগ বিউটিফুল বিল" নামে পরিচিত বাজেট পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার ফলে আগামী দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
‘আমেরিকা পার্টি’র ঘোষণা
নিজের পোস্টে মাস্ক লেখেন,
“আমরা আসলে একদলীয় শাসনের মধ্যেই বাস করছি, যেখানে অপচয় আর দুর্নীতির মধ্য দিয়ে দেশকে দেউলিয়া করে দেওয়া হচ্ছে। আজ ‘আমেরিকা পার্টি’ গঠিত হলো, আপনাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে।”
এদিকে এখনও স্পষ্ট নয়, দলটি যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হয়েছে কিনা, কিংবা এর নেতৃত্ব কাঠামো কী হবে। মাস্ক এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
জনমত জরিপে জনসমর্থন
ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধের সময় মাস্ক এক্সে একটি জরিপ চালান, যেখানে তিনি প্রশ্ন রাখেন, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন আছে কিনা। সেই জরিপে ২:১ ব্যবধানে অধিকাংশ উত্তরদাতা নতুন দল চেয়েছেন বলে জানান তিনি।

0 Comments